Header Ads

কার্পেট ফরেস্ট, কামরাঙা ও আমলকির গল্প

।। কার্পেট ফরেস্ট ।।

প্রতিদিনের মতই ঘুম ভাঙলো ১১ টায়। ফ্রেশ হতে প্রায় বারোটা বেজে গেলো। আমরা হল থেকে বের হলাম। বটতলায় খেলাম। তারপর ঘুরাঘুরি। ছোট ভাই আবিরকে ক্যাম্পাস দেখানো এই ঈদের প্রধান একটি কাজ। আবির আমাদের সাথে ঘুরে ঘুরে ক্যাম্পাস দেখছে। সে খুব সুখি ও খুশি।

আমরা ঘুরতে গেলাম সুইজারল্যান্ড। তারপর রবীন্দ্রনাথ হলের সামনের জায়গাটিতে। এটি আমার প্রিয় একটি স্থান। সামনে লেক ও তার সাথে অজানা গাছের বাগান। তার উপর চালতা বাগান, কামরাঙা বাগান, তারপর আমলকি বাগান, তার সাথেই আম বাগান। এছাড়া নিম বাগানো আছে একটি। সব মিলিয়ে এই জায়গাটি দেখতে ক্যাম্পাসের অন্য যেকোনো স্থান থেকে আলাদা। 

সব সময় বাতাস পাওয়া যায় এখানে। প্রচণ্ড রোদেও এখানে ছায়া থাকে। সব থেকে আকর্ষণীয় হচ্ছে বনের নিচের মাটির অংশটা। মাটিতে তৈরি হয়ে আছে ন্যাচারাল কার্পেট। দূর থেকে যেকেউ দেখে মনে করবে আমরা কার্পেটের দিকে হাটছি। আসলে না। েএটা এক ধরনের শ্যাওলা। যা কার্পেটের থেকেও নরোম। দেখতে সবুজ। যেকোনো মানুষের জন্যে এটি েএকটি চমক হতে পারে। 

মন ভালো না থাকলে আমি প্রায়ই এখানে যাই। বসে থাকি। মন ভালো হয়ে যায়। এই কার্পেট বনেই আমি আমার জলবনের অধিকাংশ কবিতা লিখেছি।

কার্পেট ফরেস্ট নামটা আমার দেয়া। মূলত এই জায়গাটার ক্যাম্পাসে কোনো প্রচলিত জায়গা নেই। পাশেই সুইজারল্যান্প থাকায় এটাকে আলাদা করে ডাকে না কেউ। কিন্তু আমার মনে হলো এটার আলাদা একটা নাম হওয়া উচিত। তাই নিজেই এই বনের নাম দিলাম কার্পেট ফরেস্ট। যেহেতু এখানের শ্যাওলাটা কার্পেটের মত মাটির সাথে মিশে আছে তাই এর নাম দিলাম কার্পেট ফরেস্ট।

এরপর এখানে যারা যাবেন তারা আসা করি এই নামেই ডাকবেন।

আমরা ঘুরলাম। বসলাম। ছবি তুললাম। আমলকি খেলাম। কামরাঙা খেলাম। চালতা বনে ঘুরে হলের দিকে আসলাম। দিনটা চমৎকার কাটলো। আপনাদের সকলকে স্বাগতম।


কার্পেটফি আতিক
আতিক ও আমি

ছবি পথচারি

ছবি পথচারি, আতিক আবির আর আমি



৬/১৮/১৮
মঙ্গলবার

কোন মন্তব্য নেই

enjoynz থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.